শিক্ষা

শক্তি সম্পদ কাকে বলে বাংলাদেশের শক্তি সম্পদের উৎস সমূহ কি কি

শক্তি সম্পদ কাকে বলে, খনিজ সম্পদ কী, বাংলাদেশের শক্তি সম্পদের উৎস সমূহ কি কি,  শক্তি সম্পদ, শক্তি সম্পদ কাক বোলে, শক্তি সম্পদ কাকে বলে, শক্তি সম্পদ বলতে কী বোঝায়, শক্তি সম্পদ মানে কি

শক্তি সম্পদ কাকে বলে

শক্তি সম্পদ কাকে বলে শক্তি সম্পদ হলো একটি ব্যক্তি, সংস্থা বা দেশের সামরিক ও আর্থিক প্রাধান্য যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মূলত প্রভাবশালী হতে পারে।

এটি বিভিন্ন রকম সম্পদে প্রদর্শিত হতে পারে, যেমন

  • আর্থিক সম্পদ,
  • শিক্ষাগত সম্পদ,
  • প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদি।

আর্থিক সম্পদ হলো আর্থিক মানসম্পদ, অর্থনীতি ও অর্থ-বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কে মিলে যায়।

এটি ধারাবাহিকভাবে ব্যক্তি বা সংস্থা কে আর্থিক ক্ষমতা, সম্পদ ও সামরিক ক্ষমতা দেওয়ায় সহায়তা করে এবং ব্যক্তি বা সংস্থাকে আর্থিক দৃষ্টিতে শক্তিশালী করে।

এটি আর্থিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা ও আর্থিক সৃষ্টিতে সক্ষমতা সৃষ্টি করে।

শিক্ষাগত সম্পদ হলো জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাগত দক্ষতা যা ব্যক্তি বা সংস্থাকে অন্যদের উন্নয়ন করে।

এটি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদত্ত শিক্ষাগত সুযোগ-সুবিধা, উন্নয়ন ও প্রগতির মাধ্যমে করা হলে এটি শিক্ষাগত সম্পদ বলা হয়।

এটি আপেক্ষিকভাবে বৃত্তিমূলক স্থান এবং সময়ের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।

প্রাকৃতিক সম্পদ হলো পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপাদান, প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ ও ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণত প্রকৃতিতত্ত্বের সাথে মিশে যায়।

  • এটি মাটি,
  • জল,
  • বাতাস,
  • বন,
  • প্রাণী ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কিত হতে পারে।

প্রাকৃতিক সম্পদ মানসম্পদ বিষয়ক ভৌগোলিক এবং জৈবসম্পদের সংক্রান্ত অনুশীলন করে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূণ।

"</p

খনিজ সম্পদ কী

খনিজ সম্পদ কী খনিজ সম্পদ হলো যা প্রাকৃতিক বা প্রকৃতিসঙ্গত প্রস্তুতি হয়েছে এবং যা মানুষের জীবনের নিরাপত্তা, অর্থনীতি এবং শিল্প উদ্যোগের জন্য ব্যবহৃত হয়।

খনিজ সম্পদ মূলত মাটির মধ্যে অবস্থিত আকর্ষণীয় এবং অর্থপ্রদ উপাদানের পরিবর্তে ব্যবহৃত হয়।

এটি সংঘটিত হয় যখন মৌলিক মাটির উপাদান প্রাকৃতিসঙ্গত বিষয়ে অপুষ্ট হয় এবং এসম্পদ উপাদান সমগ্রে থাকে।

খনিজ সম্পদ উপাদানগুলি: 

  • প্রাকৃতিক প্রযুক্তি,
  • সারচেমিস্ট্রি,
  • রসায়ন শিল্প,
  • স্থানবিজ্ঞান,
  • খনি উদ্যোগ এবং পানির প্রবাহন এবং তাপ প্রবাহনের জন্য ব্যবহৃত হয়।

খনিজ সম্পদ গ্রহণ করা হয় সাগরের নিচের প্রান্তিক উপত্যকার এলাকার সঙ্গে সঙ্গত। 

খনিজ সম্পদের অন্যান্য উদাহরণগুলি নিম্নরূপ:

খনিজ খনডকপি: যেমন ধাতুসমূহ (যেমন, আয়রন, কপার, গোল্ড, সিলভার), মূলবৈদ্যুতিক খনডকপি (যেমন, কয়লা, উইলাইট, ন্যাট্রাল গ্যাস), আধুনিক খনডকপি (যেমন, উর্বরক, সোডিয়াম, পটাসিয়াম).

খনিজ তারকা: যেমন ডায়ামন্ড, রুবি, সাফায়েত, এমেথিস্ট, টোপাজ, জেড.

খনিজ খন্ডকপি: যেমন মার্বেল, গ্র্যানাইট, স্লেট, স্যান্ডস্টোন, লাইমস্টোন, শিলা.

খনিজ খাদ্যপদার্থ: যেমন হালাইট, সেলাইট, গ্রুপ, রকসাল্ট.

খনিজ মানচিত্র উপাদান: যেমন পটাশ, সোডিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম, সিলিকন, ফসফরাস, ক্যালসিয়াম. খনিজ সম্পদ বিভিন্ন উদ্যোগ, প্রকৌশল কাজ, আর্থিক কাজ, উর্বান নগর নির্মাণ, পরিবাহন উদ্যোগ, অভিযান ও সৈন্যদলের ব্যবহারে ব্যবহৃত হয়।

বাংলাদেশের শক্তি সম্পদের উৎস সমূহ কি কি

বাংলাদেশের শক্তি সম্পদের উৎস সমূহ কি কি বাংলাদেশের শক্তি সম্পদের উৎস সমূহ প্রধানতঃ নিম্নলিখিত কিছু সাধারণ উৎস থেকে পাওয়া যায়:

1.জলীয় শক্তি: বাংলাদেশে নদী, হ্রদ, খাল, পানির তাল ইত্যাদি বিভিন্ন জলবাহী উপকরণের মাধ্যমে জলীয় শক্তি উৎপন্ন করা হয়। হিরকুদ ব্যান্ডর ও টাঙ্গীগ্রাম জলবাহী উদ্যোগ সহ কিছু হাইড্রোপাওয়ার প্রকল্পও রয়েছে।

2.জ্বালানি শক্তি: বাংলাদেশে বিদ্যুৎ উৎপাদনের একটি মুখ্য উৎস হলো জ্বালানি শক্তি। গ্যাস, পেট্রলিয়াম, খনিজ তেল, শিলাজিত, পাথর তেল ইত্যাদি থেকে ইঞ্জিন ও বস্ত্র তেল, বিদ্যুৎ উত্পাদনে ব্যবহৃত হয়।

3.বায়ু শক্তি: বায়ু শক্তি থেকে বিদ্যুৎ উত্পাদন এবং বিদ্যুৎ পরিবহন ক্ষেত্রে উপযুক্ত উদ্যোগ হচ্ছে পাখি মুছে চাপানো, পাখি বা প্রজ্ঞাগত জলপ্রপাত ইত্যাদি।

4.শূন্যপ্রান্ত শক্তি: বাংলাদেশের শূন্যপ্রান্ত থেকে উত্পন্ন শক্তির একটি উদাহরণ হলো সৌর শক্তি। সৌর প্যানেল ব্যবহার করে সৌর শক্তি উৎপন্ন করা হয়।

5.পানির শক্তি: সমুদ্র অপরিসীম থেকে উত্পন্ন পানির শক্তি ব্যবহার করে প্রক্ষিপ্ত জাল বা প্রক্ষিপ্ত তরঙ্গ উত্পন্ন করে বিদ্যুৎ উত্পাদন করা হয়।

6.বায়ুমণ্ডলীয় শক্তি: বাংলাদেশে বায়ুমণ্ডলীয় শক্তির একটি সম্পদ হলো বায়ুবাহিত পানির চলন। বায়ু চলনের মাধ্যমে তৈরি করা বিশেষ উপকরণ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উত্পাদন করা হয়।

শক্তি সম্পদ মানে কি

7.জৈব শক্তি: জৈব শক্তি থেকে উত্পন্ন উদ্ভিদগুলির চাপ এবং জৈব মাল ব্যবহার করে বায়ুবাহিত উদ্ভিদের পুনর্নির্মাণ এবং বিদ্যুৎ উৎপন্ন করে।

8.প্রাকৃতিক গ্যাস: বাংলাদেশে উপস্থিত সম্পদের মধ্যে সদ্যপূর্ণতম হলো প্রাকৃতিক গ্যাস বা বায়ু গ্যাস। সংগ্রহ করে বিভিন্ন উপকরণের মাধ্যমে গ্যাস জনিত বিদ্যুৎ উত্পাদন করা হয়।

9.জোয়ারের বায়ুবিহীন পাখি: বাংলাদেশে জোয়ার নামের একটি বায়ুবিহীন পাখি আছে, যা বিদ্যুৎ উত্পাদনের জন্য ব্যবহৃত হয়। এই পাখির চলন দ্বারা পানিতে বা বায়ুবাহিত উপকরণের মাধ্যমে বিদ্যুৎ উত্পাদন সম্ভব হয়।

10.খাদ্য পণ্যের অপচয় এবং বায়ুবাহিত জলপ্রপাত: বাংলাদেশে খাদ্য পণ্যের উপচয় এবং বায়ুবাহিত জলপ্রপাত বিদ্যুৎ উত্পাদনের উপকরণ হিসাবে ব্যবহৃত হয়। উদাহরণস্বরূপ, বায়ুবাহিত খাদ্য পণ্যের জলপ্রপাত ব্যবহার করে।

11.খনিজ সম্পদ: বাংলাদেশে আবুল খায়ের, সারচংপা, মাদারিপুর ইত্যাদি অঞ্চলে খনিজ সম্পদ অন্যতম অতিরিক্ত সম্পদের উৎস হিসাবে প্রকাশ করা হয়। খনিজ সম্পদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উত্পাদন, ইঞ্জিন তেল, গ্লাস, সিমেন্ট, কাঠামো উদ্যোগ, মেটালার্জি ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।

12.জৈব উৎপাদ: বাংলাদেশে প্রাকৃতিক উপাদান থেকে জৈব উৎপাদ উৎপন্ন করা হয়, যেমন বাড়ি গোবর, জৈব সামগ্রী, বাড়িতে সার, জৈব গ্যাস, গোবরের বায়োগ্যাস, বায়ুবাহিত সংস্কারক ইত্যাদি। এই জৈব উৎপাদ ব্যবহার করে বিদ্যুৎ উত্পাদন, গ্যাস পরিষ্কার, গ্রীন এনার্জি ইত্যাদি কাজে ব্যবহৃত হয়।

শক্তি সম্পদ মানে কি

শক্তি সম্পদ মানে কি শক্তি সম্পদ হলো একটি ব্যক্তি, সংস্থা বা দেশের সামরিক ও আর্থিক প্রাধান্য যা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ এবং মূলত প্রভাবশালী হতে পারে। এটি বিভিন্ন রকম সম্পদে প্রদর্শিত হতে পারে, যেমন আর্থিক সম্পদ, শিক্ষাগত সম্পদ, প্রাকৃতিক সম্পদ ইত্যাদি।

আর্থিক সম্পদ হলো আর্থিক মানসম্পদ, অর্থনীতি ও অর্থ-বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানসমূহ সম্পর্কে মিলে যায়।

এটি ধারাবাহিকভাবে ব্যক্তি বা সংস্থা কে আর্থিক ক্ষমতা, সম্পদ ও সামরিক ক্ষমতা দেওয়ায় সহায়তা করে এবং ব্যক্তি বা সংস্থাকে আর্থিক দৃষ্টিতে শক্তিশালী করে।

এটি আর্থিক উন্নয়ন, বিনিয়োগ, উৎপাদনশীলতা ও আর্থিক সৃষ্টিতে সক্ষমতা সৃষ্টি করে।

শিক্ষাগত সম্পদ হলো জ্ঞান, প্রশিক্ষণ এবং শিক্ষাগত দক্ষতা যা ব্যক্তি বা সংস্থাকে অন্যদের উন্নয়ন করে।

এটি শিক্ষার্থীদের বিদ্যালয়ে বা শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে প্রদত্ত শিক্ষাগত সুযোগ-সুবিধা, উন্নয়ন ও প্রগতির মাধ্যমে করা হলে এটি শিক্ষাগত সম্পদ বলা হয়।

এটি আপেক্ষিকভাবে বৃত্তিমূলক স্থান এবং সময়ের মাধ্যমে অর্জন করা যায়।

প্রাকৃতিক সম্পদ হলো পৃথিবীর প্রাকৃতিক উপাদান, প্রাকৃতিক সম্পদ সংগ্রহ ও ব্যবহারের মাধ্যমে সাধারণত প্রকৃতিতত্ত্বের সাথে মিশে যায়। এটি

  • মাটি,
  • জল,
  • বাতাস,
  • বন,
  • প্রাণী ও অন্যান্য প্রাকৃতিক সম্পদ সম্পর্কিত হতে পারে।

প্রাকৃতিক সম্পদ মানসম্পদ বিষয়ক ভৌগোলিক এবং জৈবসম্পদের সংক্রান্ত অনুশীলন করে এবং প্রাকৃতিক সম্পদ সংরক্ষণ ও পরিবেশ সংরক্ষণের জন্য গুরুত্বপূণ।

বিন্দু কাকে বলে সংজ্ঞা, বিন্দুর বৈশিষ্ট্য

প্রাকৃতিক সম্পদ কাকে বলে উদাহরণ দাও

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button