শিক্ষা

অতি পুষ্টি কাকে বলে? অতি পুষ্টির শারীরিক লক্ষণ

অতি পুষ্টি কাকে বলে:  শরীর অনুযায়ী প্রয়োজন এর  অধিক খাবার গ্রহণ করার মাধ্যমে দেহ এর মধ্যে যে অতিরিক্ত পুষ্টি উৎপাদন হয় আবার তা সঞ্চয় হয় থাকে একে অতি পুষ্টি ও বলে। 

এককথায় অতি পুষ্টি এর  সংজ্ঞা, যেকোন কারণে শরীর এর  মধ্যে যদি প্রয়োজন এর  চেয়ে প্রায় তিন চার গুণ বেশি ও পুষ্টি উৎপাদন হয় একে অতি পুষ্টি বলে।

এই অতি পুষ্টি বলতে পুষ্টির অত্যাধিক মাত্রাকে তাই বোঝানো হয়ে যায় স্বাস্থ্যের জন্য ও ক্ষতিকর।আবার  একদিকে জীবন রক্ষা করার ক্ষেত্রে ও প্রয়োজনীয় শক্তি অর্জনের ক্ষেত্রে পুষ্টি ও যেমন দরকার হয়।পুষ্টির অত্যাধিক মাত্রা শরীর এর মধ্যে আমাদের যখন বৃদ্ধি পায় তখন আমরা তা উপলব্ধি ও করতে পারি। 

এই উপলব্ধি করার এমন ক্ষমতাটি প্রাকৃতিকভাবে আমাদের মাঝে অনেক  বিদ্যমান থাকায় আমরা এইটা অতি পুষ্টি সনাক্ত করতে পারে আমাদের শরীরে।

আবার অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় অতি পুষ্টি এর  কারণে মানুষ এর এলার্জি এবং হৃদরোগ জনিত বিভিন্ন সমস্যা ও বৃদ্ধি পায়।এই পুষ্টির অত্যধিক মাত্রা পরিলক্ষিত হওয়ার ফলে রোগ ও নানা প্রকার প্রতিবন্ধকতা মানুষ এর শারীরিক গঠনে পরিলক্ষিত হয়।

শরীরে এমন পুষ্টি যেমন প্রয়োজনীয়তা রয়েছে ঠিক তেমনি এমন  অত্যাধিক পুষ্টির রয়েছে ক্ষতিকর দিক টা থেকে আমাদের বাঁচতে হবে।

তাই পুষ্টির অত্যাধিক পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ার পেছনে যেমন কিছু কারণ রয়েছে ঠিক এর কিছু এমন প্রতিকার রয়েছে মুক্তি পাওয়ার জন্য।

আরো পড়ুন: গাজরের উপকারিতা 

অতি পুষ্টি কাকে বলে

অতি পুষ্টি অবশ্যই আমাদের শরীরের জন্য একটি ক্ষতিকর প্রভাব ও আপনার শরীরে অতি পুষ্টির মত কোন ও সমস্যা হয়েছে কিনা এটি চেনার জন্য কিছুও লক্ষণ রয়েছে। সেগুলো হল :

দিন দিন নানা ভাবে শরীর এর ওজন বৃদ্ধি  পাবে।

হজম শক্তি ও পরিপাক শক্তি কমতে থাকবে।

শরীরের মধ্যে বিভিন্ন ধরন এর অস্বাভাবিক প্রক্রিয়া লক্ষণ হবে।

এক্ষেত্রে আপনার রক্তচাপ ও বৃদ্ধি পেতে পারে।

শরীরের মধ্যে এমন চর্বি জমার মত লক্ষণ দেখা দিবে।

হৃৎপিণ্ডে চর্বি জমতে পারে আবার  এর ফলে বুকে ব্যথা অনুভব হবে।

শরীরের ওজন বৃদ্ধি পাওয়ার সাথেই কর্মদক্ষতা কমতে থাকবে।

রক্তের মধ্যে গ্লুকোজ এর মত উপাদান এর সংখ্যা বৃদ্ধি পাবে।

শরীরের মধ্যে অনেক গ্যাস্টিকের সমস্যা দেখা দিবে।

কিছু সময় পর পর বা কয়েক দিন পর পর অনেক বমি বমি ভাব দেখা দিবে।

কিছু সময় পর পর অনেক মাথা ব্যথা করবে ও মাথা ঘুরবে, ইত্যাদি।

এগুলো হলো সাধারণত কিছু লক্ষণ যার মাধ্যমে আমরা নানা ভাবে আমাদের শরীরের অতিপুষ্টের মাত্রা বেশী সমস্যা সনাক্ত করতে পারে।

এটি একটি গুরুতর সমস্যা তাই অবশ্য আমাদেরকে এ সমস্যা থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় সম্পর্কে অনেক জ্ঞান অর্জন করার চেষ্টা করা উচিত।

বর্তমানে এমন পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা অনেক বেশি হওয়ায় মানুষ এর মাঝে অতি পুষ্টি দেখা গিয়েছে আবার এমন না বরং প্রত্যেক খাদ্যে আগের মতই পুষ্টি রয়েছে।

তবে বর্তমানে আমাদের দেশে এর মানুষ একটু অনেক বেশি অলস হয়ে পড়েছে এবং এ অলসতার কারণে মূলত অতি পুষ্টির জনিত সমস্যা ও দেখা দিয়েছে।

অতি পুষ্টিকর খাবার

যুক্তরাজ্যের এই গবেষকরা তাদের গবেষণায় এমনকিছু খাবারের তালিকা করেছেন। এই প্রতিবেদনে বিজ্ঞানের আলোকে বিশ্বের সবচেয়ে পুষ্টিকর কিছু খাবার সম্পর্কে আলোচনা করা হল:

১. অ্যালমন্ড ,আখরোট: ফ্যাটি অ্যাসিডের সবচেয়ে ভালো অ্যালমন্ড ও আখরোট এই দুটি বাদাম সবচেয়ে  পুষ্টিকর এই খাবারের তালিকায় শীর্ষে রয়েছে। এই বাদাম হার্ট ও রক্তনালীর স্বাস্থ্য উন্নত রাখতেও সাহায্য করে।

২. আতাফল: সবচেয়ে এই পুষ্টিকর খাবারের তালিকায় আতাফল রয়েছে দ্বিতীয় অবস্থান। এতে রয়েছে চিনি, ভিটামিন এ ও ভিটামিন সি, ভিটামিন বি১, ভিটামিন বি২ আবার পটাসিয়াম।

৩. বিভিন্ন সামুদ্রিক মাছ: সামুদ্রিক কই বা পোয়া মাছ, চিতল ও ফ্ল্যাট ফিশ, কড মাছ, ইল,পাখনার টুনা, বিভিন্ন ধরনের স্যামন মাছ সবচেয়ে পুষ্টিকর খাবার এর মধ্যে অন্যতম। এ মাছ তাদের পুষ্টিগুণ এর  জন্য এই তালিকায় স্থান করে নিয়েছে।

৪. চিয়া সিড ও তিসি বীজ: গত কিছু বছর ধরে অন্যতম সর্বাধিক জনপ্রিয় পুষ্টিকর হলো চিয়া বীজ। এই ছোট কালো বীজে প্রচুর পরিমাণ ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড  ফাইবার রয়েছে।

৫. মিষ্টি কুমড়া , বীজ: আয়রন ও ম্যাঙ্গানিজের ভালো উৎস মিষ্টি কুমড়া এবং  এর বীজ। মিষ্টি কুমড়া কাঁচা বা পাকা উভয় ক্ষেত্রে পুষ্টিগুণে ভরপুর। প্রদাহ-বিরোধী উপাদান এবং উচ্চ পরিমাণ জিংক শরীরে ইমিউন সিস্টেম সহায়তা করে।

৬. ধনেপাতা: ধনেপাতায় ও রয়েছে পটাশিয়াম, ক্যালসিয়াম, ম্যাঙ্গানিজ, লোহা এবং  ম্যাগনেশিয়ামের মতো বেশ কয়েকটি ও উপকারি খনিজ। এছাড়া ভিটামিন এ ,আবার নানা ভাবে ভিটামিন কে-র জোগান দেয় এই পাতা।

মাছ খেতে কমবেশি আমরা সকলেই পছন্দ করি । তবে এই যে আপনি জানেন, কিছু মাছ বিশ্বের সেরা খাদ্য আইটেমগুলি এর মধ্যে নানা ভাবে গণ্য হয়। 

  • তবে এই  সমস্ত মাছ সালমন এবং সার্ডিনের মতো ও পুষ্টিকর নয়।
  • এই দুটি মাছ আপনার শরীরে মারাত্মক রোগ থেকে রক্ষা করতে পারে।

আজকের সময়ে, এটা হৃদপিণ্ডের যত্ন নেওয়া অথবা এটি সুস্থ রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ও পালন করে। এ মাছগুলি গ্রহণ করে, আপনি ডিমেনশিয়া ও আলঝেইমার জাতীয় রোগ থেকে বাঁচতে পারেন। আপনি যদি নিয়মিত এই  সালমন সেবন করেন তবে এটি হতাশা বা স্ট্রেস থেকে আপনাকে নানা ভাবে রক্ষা করে।

আরো পড়ুন: অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও অপকারিতা

অতি পুষ্টির লক্ষণ

অতিপুষ্টির  লক্ষণ :

ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতা: অতিপুষ্টির প্রাথমিক শারীরিক এই লক্ষণগুলি এর  মধ্যে একটি হল ওজন বৃদ্ধি ও যার ফলে স্থূলতা দেখা দেয়। এই অত্যধিক ক্যালোরি খরচ শরীর এর সঞ্চিত চর্বি জমা দিকে পরিচালিত করে,

এই অতিরিক্ত ক্যালোরি খরচ  করার ফল এ চর্বি জমতে থাকে যার ফলে ব্যক্তি এর  আদর্শ ওজন এর  মাত্রা অতিক্রম করে। এই স্থূলতা একটি জটিল অবস্থা বা কার্ডিওভাসকুলার সমস্যা, ডায়াবেটিস ও জয়েন্টে ব্যথা সহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যা  বিভিন্ন সমস্যা দেখা দিতে পারে।

উচ্চ্ রক্তচাপ: অতিরিক্ত পুষ্টি উচ্চ রক্তচাপ হতে পারে, হাইপারটেনশন নামেও পরিচিত। অতিরিক্ত সোডিয়াম যুক্ত খাবার ও যেমন প্রক্রিয়াজাত এবং পাসপোর্ট পানির এই ভারসাম্য ব্যাহত করতে পারে এবং রক্তচাপের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে ।

উচ্চ কোলেস্টেরলের মাত্রা: অতিরিক্ত পুষ্টি গ্রহণ রক্তে কোলেস্টেরলে মাত্রা বাড়াতে পারে । স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাট সমৃদ্ধ একটি খাদ্য LDL (লো-ঘনত্বের লাইপোপ্রোটিন) কোলেস্টেরলের মাত্রা নানা ভাবে বৃদ্ধিতে কাজ করে , যাকে প্রায়ই “খারাপ” কোলেস্টেরল বলা হয়। 

টাইপ 2 ডায়াবেটিস: অত্যধিক পুষ্টি, বিশেষ করে আবার যখন একটি আসীন জীবনধারার সাথে মিলিত হয়,এই  টাইপ 2 ডায়াবেটিসের বিকাশ ঘটাতে পারে। অত্যধিক ক্যালোরি গ্রহণ, ও বিশেষত চিনিযুক্ত খাবার এবং পানীয় থেকে, ইনসুলিন প্রতিরোধের কারণ হতে পারে,তাই  রক্তে শর্করার মাত্রা কার্যকরভাবে নিয়ন্ত্রণ করার শরীরের ক্ষমতাকে ক্ষতিগ্রস্ত করে।

অত্যধিক পুষ্টি হৃদরোগের বিকাশে অবদান রাখে আবার করোনারি ধমনী রোগ এবং হার্ট অ্যাটাক সহ।তাই অস্বাস্থ্যকর চর্বি, সোডিয়াম এবং যুক্ত শর্করার অত্যধিক ব্যবহার, ফল, ও শাকসবজি এবং গোটা শস্যে অপর্যাপ্ত ভোজনের সাথে হার্টে স্বাস্থ্যের উপর নেতিবাচক প্রভাব ও ফেলতে পারে। 

তাই এমন অত্যধিক পুষ্টির কারণে অতিরিক্ত ওজন বহন করা জয়েন্টগুলিঅতিরিক্ত চাপ দেয়, অস্টিওআর্থারাইটিস এর  মতো জয়েন্টের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়। আবার অতিরিক্ত ওজন জয়েন্টগুলিতে পরিধান ও ছিঁড়ে যেতে পারে, যার ফলে ব্যথা, প্রদাহ ও গতিশীলতা হ্রাস পায়।

আরো পড়ুন: পাথর কুচি পাতার উপকারিতা ও অপকারিতা 

অতি পুষ্টি কাকে বলে অতি পুষ্টির শারীরিক লক্ষণ
অতি পুষ্টি কাকে বলে অতি পুষ্টির শারীরিক লক্ষণ

অতি পুষ্টির শারীরিক লক্ষণ

আপনার ওজন বজায় রাখা আপনার খাদ্য গ্রহণ ও আপনার কার্যকলাপ উভয় এর উপর নির্ভর করে। তাই আপনি যত বেশি ক্যালোরি পোড়াচ্ছেন তাই গ্রহণ করলে আপনি আপনার এই বর্তমান ওজনে থাকতে পারবেন, তাই আপনি যদি নিয়মিতভাবে আপনার এই সব প্রয়োজনের চেয়ে বেশি ক্যালোরি গ্রহণও করেন তবে আপনি আপনার শরীর এর  চর্বি বাড়াবেন।  

কার্বোহাইড্রেট, প্রোটিন ও চর্বি সবই আপনার খাদ্যে ক্যালোরি যোগায়, কার্বোহাইড্রেট আপনার প্রাথমিক এই শক্তির উৎস প্রদান করে। আবার তাছারা, একবার আপনার শক্তির চাহিদা পূরণ হয়ে ও গেলে, তাই অতিরিক্ত কার্বোহাইড্রেট আপনার অ্যাডিপোজ টিস্যুতে সঞ্চয় এর জন্য ফ্যাটি অ্যাসিডে রূপান্তর ও করতে পারে।

আপনার খাদ্যতালিকাগত এই প্রোটিন ও চর্বি আপনার শরীরে অ্যামিনো অ্যাসিড ও ফ্যাটি অ্যাসিড সরবরাহ করে এবং একবার এ পুষ্টির প্রয়োজনীয়তা ও পূরণ হলে, অতিরিক্ত ফ্যাট টিস্যু তে রূপান্তরিত হতেও পারে।

অতিরিক্ত প্রোটিন গ্রহণ আপনার বিপাক এর  বিভিন্ন দিককে প্রভাবিত করতে পারে। যেমন তাই আপনার শরীরের প্রয়োজন এর তুলনায় এই পুষ্টির বেশি মাত্রায় গ্রহণ করা ও ইনসুলিন সংবেদনশীল তাকে প্রভাবিত করতে পারে অথবা সম্ভাব্য ডায়াবেটিস হওয়ার ঝুঁকি ও বাড়াতে পারে। 

আপনার কিডনি রোগ থাকলে টা উচ্চ খাদ্যতালিকাগত প্রোটিন নিষেধও করা হয় এবং এটি রেনাল ক্যান্সারের সূত্রপাত এর সাথে যুক্ত হতে পারে। 

আপনার খাদ্যে ক্যালোরি সরবরাহ করে না তাই এমন পুষ্টি বিপজ্জনক হতে পারে যদি আপনি তা অনেক গ্রহণ করেও থাকেন। চর্বি-দ্রবণীয় ভিটামিনগুলো বিশেষত প্রতিকূল প্রভাব সৃষ্টি করতে প্রবণ করে কারণ আপনি এগুলো আপনার অ্যাডিপোজ টিস্যুতে সংরক্ষণ ও করেন।  

ভিটামিন এ-এর বিষাক্ত মাত্রা,যেমন; তাই জন্মগত ত্রুটির কারণ হতে পারে, যখন অত্যধিক ভিটামিন ডি আপনার রক্ত এই ক্যালসিয়ামের মাত্রা বাড়িয়ে দিতে পারে এবং অবশেষে এই আপনার নরম টিস্যুতে ক্যালসিয়াম জমা হতে পারে।তাই  খনিজ পদার্থও বিষাক্ত মাত্রায় জমা হতে পারে ও সমস্যা সৃষ্টি করতে পারে। 

অতিপুষ্টির কারণ কি

বিশ্বে প্রতিবছর ‘অতি পুষ্টির’ কারণে প্রায় প্রতি পাঁচজনের মধ্যে একজনের মৃত্যু হচ্ছে।

তাই  গতকাল বৃহস্পতিবার ল্যানসেট চিকিৎসাবিষয়ক সাময়িকী প্রকাশিত এক গবেষণার ফলাফলে এই কথা জানানো হয়েছে।

 এতে গবেষকেরা সতর্ক করে বলেন যে, ‘অতিরিক্ত চিনি, লবণ এবং মাংস খাওয়ার কারণে কয়েক লাখ মানুষের মৃত্যু হচ্ছে প্রতিবছর।’

জাতিসংঘের তথ্য মতে হলো, বর্তমানে বিশ্বে প্রায় ১০০ কোটি মানুষ অপুষ্টি আক্রান্ত।

এর বিপরীতে আবার ২০০ কোটি মানুষ ‘অতিরিক্ত পুষ্টিতে’ ও ভুগছে।

প্রকাশিত গবেষণা থেকে দেখা যায় যে, ১৯৫টি দেশের প্রায় প্রতিটি মানুষ প্রতিদিন ভুল ধরনের খাবার খাচ্ছে। এই ভাবে একই সঙ্গে তারা না বুঝে স্বাস্থ্যকর খাবার ভুলভাবে গ্রহণ করছে। 

তার উদাহরণ হিসেবে বলা যায় যে, বিশ্বে প্রতিটি মানুষের গড়ে যে এই পরিমাণ চিনি খাওয়া প্রয়োজন এর চেয়ে প্রায় ১০ গুণ বেশি চিনি তারা মিষ্টিজাতীয় খাবার এর মাধ্যমে শরীরকে দিচ্ছে।

এছাড়া প্রতিটি মানুষের জন্য যতটুকু লবণ খাওয়াকে এই ভাবে নিরাপদ মনে করা হয় এর চেয়ে ৮৬ গুণ বেশি লবণ নানা ভাবে তারা গ্রহণ করছে।

১৯৯০ থেকে ২০১৭ সাল পর্যন্ত খাদ্যাভ্যাস এবং নানা ধরনের রোগবালাইয় এর  প্রবণতার ওপর করা এই গবেষণায় দেখা গেছে যে, খুব অল্পসংখ্যক মানুষ সুস্থ জীবনধারা বজায় ও নানা ভাবে রাখতে পারছে। আর এই জন্য তারা প্রতিদিন দানা জাতীয় খাদ্য, ফলমূল, বাদাম এবং বীজজাতীয় খাবার খাচ্ছে।

এদিকে এই সব স্থূলতার কারণে হৃদেরাগ এর আক্রান্ত হয়ে এখন পর্যন্ত বিশ্বব্যাপী মারা গেছে  প্রায় এক কোটি ১০ লাখ মানুষ।

আরো পড়ুন: অশ্বগন্ধার উপকারিতা ও অপকারিতা 

অপুষ্টি ও অতি পুষ্টি শারীরিক লক্ষণ

অতিপুষ্টি এর শারীরিক লক্ষণ: অপুষ্টি ও অতিপুষ্টি দুটি বিপরীত কিন্তু সমানভাবে উল্লেখযোগ্য আলোচনা বিষয় যা বিশ্বব্যাপী লক্ষ লক্ষ মানুষকে প্রভাবিত ও করছে। যদি অপুষ্টি আপনার শরীরের অপরিহার্য পুষ্টি এর প্রয়োজন তার অভাব  চিহ্নিত করে।

যদিও অপুষ্টি ও অপরিহার্য পুষ্টির অভাব দ্বারা চিহ্নিত করা হয় যে , অত্যধিক পরিমাণে ক্যালরি গ্রহণ ও অস্বাস্থ্যকর খাবার এর পছন্দের কারণে অপুষ্টি এর উদ্ভব হয়ে থাকে।

অপুষ্টি ও অতিরিক্ত পুষ্টি উভয় অবস্থায় শরীর এর বিভিন্ন উপসর্গ প্রকাশ এর  মাধ্যমে প্রকাশ পায় প্রতিটি এর নিজস্ব কারণ ও  মানবদেহের সুদুর প্রসারী প্রভাব দেখা দেয়। তাই বিশ্বব্যাপী স্বাস্থ্য নিয়ে যেই উদ্যোগ দেখা দিয়েছে সেটা মোকাবেলায় অপুষ্টি ও অত্যধিক পুষ্টি দ্বারা উদ্বুদ্ধ সমস্যাগুলো নানা ভাবে দিকগুলো বুঝে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এই ভাবে আর্টিকেলটিতে আমি অপুষ্টি ও অতিপুষ্টি এর  শারীরিক লক্ষণ, কারণ, প্রভাব, এবং  পার্থক্য নিয়ে আলোচনা করব। এছাড়া নানা ভাবে শিশুদের অপুষ্টির লক্ষণ এবং এই জনিত কিছু রোগ এর নাম উল্লেখ করো।

যদিও আজকে আমার প্রধান আলোচ্য বিষয় হচ্ছে অতিপুষ্টির শারীরিক লক্ষণ সেটা জানার পূর্বে চলুন আমরা অতিপুষ্টির কাকে বলে সেইটা জেনে নেই।

অপুষ্টি বিভিন্ন শারীরিক লক্ষণ প্রকাশ পেতে পারে যেমন:

  • অনিচ্ছাকৃত  শরীর এর ওজন হ্রাস
  • পেশী দুর্বলতা ও অপচয়
  • ক্লান্তি ও শক্তির অভাব
  • ভঙ্গুর চুল ও নখ
  • শুষ্ক ও ফ্যাকাশে ত্বক
  • দাঁতের অনেক সমস্যা
  • প্রতিবন্ধী ক্ষতও নিরাময়
  • দুর্বল ইমিউন এবংসিস্টেম
  • শিশুদের বৃদ্ধি ও বিকাশ বিলম্বিত হয়

বিপরীতে, অতিরিক্ত পুষ্টি বিভিন্ন এই ভাবেও শারীরিক লক্ষণ দ্বারা চিহ্নিত করা হয়, যার মধ্যে আছে :

  • ওজন বৃদ্ধি ও স্থূলতা
  • বর্ধিত কোমর এর পরিধি
  • উচ্চ্ রক্তচাপ ও 
  • উচ্চ কোলেস্টেরল এর  মাত্রা
  • মূত্র নিরোধক ও 
  • টাইপ ডায়াবেটিস
  • জয়েন্টে ব্যথা ও প্রদাহ
  • ক্লান্তি ও শক্তির অভাব
  • ত্বকের সমস্যা যেমন ব্রণ ও প্রদাহ

পুষ্টি ও অপুষ্টি কাকে বলে

বেশির ভাগ ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত পরিমাণে উচ্চমানের খাবার খাওয়ার জন্য উপলব্ধ না থাকার কারণে পুষ্টির ও ঘাটতি হয়।তাই এটা প্রায়ই খাবারের বেশি দাম এবং দারিদ্রের সাথে সম্পর্কিত।

 স্তন্যপান করানোর ঘাটতি দায়ী হতে পারে, ও বেশ কয়েকটি সংক্রামক রোগ যেমন: গ্যাস্ট্রোএন্টারাইটিস,ম্যালেরিয়া ও হাম যেগুলো মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের প্রয়োজন বাড়িয়ে ও দিতে পারে সেগুলো এর জন্য দায়ী হতে পারে।

তাই পুষ্টির ঘাটতির দুটি প্রধান ধরন আছে: প্রোটিন-শক্তি অপুষ্টি ও খাদ্যের ঘাটতি।

আবার প্রোটিন-শক্তি অপুষ্টির দুটি তীব্র রূপ আছে: সেটা মারাসমাস (প্রোটিন ও ক্যালরির ঘাটতি) কোয়াশিওরকোর (শুধুমাত্র প্রোটিনের একটি ঘাটতি)।[

আবার মাইক্রোনিউট্রিয়েন্টের সাধারণ ঘাটতিগুলোর মধ্যে ও অন্তর্ভুক্ত হল: আয়রনের অভাব, আয়োডিন এবং  ভিটামিন এ।

তাই গর্ভাবস্থায়, প্রয়োজন বেড়ে যাওয়ার কারণেও ঘাটতিগুলো আরো বেশি সাধারণ হয়েও ওঠে।

তেমন কিছু উন্নয়নশীল দেশে অতি-পুষ্টি স্থূলতা হিসেবে পুষ্টির ঘাটতি এর  মত এক সমাজে প্রকাশ পেতে শুরু করেছে।

আবার অপুষ্টির অন্যান্য কারণগুলো অন্তর্ভুক্ত হল অ্যানোরেক্সিয়া নার্ভোসা এবং বেরিয়াট্রিক সার্জারি।

অন্য দিকে  প্রবীণ মানুষদের মধ্যে শারীরিক, মানসিক এবং সামাজিক কারণগুলো এর  জন্য অপুষ্টি আরো বেশি সাধারণ হয়ে ওঠে।

পুষ্টি উন্নত করার প্রচেষ্টা হল এই উন্নয়নগত সহায়তার সবচেয়ে কার্যকর রূপ।যা  স্তন্যপান করালে, তা শিশুদের মধ্যে অপুষ্টি এবং  মৃত্যুর হার কমাতে পারে, আবার এই অভ্যাস প্রচারের প্রচেষ্টা হার বৃদ্ধি করে।

প্রায়  ছয় মাস ও দুই বছরের মধ্যে ছোট শিশুর বুকের দুধের পাশাপাশি খাবার দেওয়া হলে, ফলাফলকে উন্নত করে। আবার উন্নয়নশীল বিশ্বে গর্ভাবস্থায় ও ছোট শিশুদের মধ্যে অনেকগুলি মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এর  সম্পূরক প্রদান-নানা ভাবে সহায়তা করারও ভাল প্রমাণ আছে।

যে মানুষদের খাদ্য সবচেয়ে বেশি প্রয়োজন তাদের খাদ্য দেওয়ার জন্য, তাদের কাছে খাদ্য পৌঁছে দেওয়া  অর্থ প্রদান করা, যাতে লোকেরা স্থানীয় বাজার থেকে খাদ্য কিনতে পারে ।

এই দুটোই কার্যকর হয়,তাই  মানুষকে শুধু স্কুলে খাবার খাওয়ানো যথেষ্ট নয়।আবার বেশির ভাগ সময় ব্যবহারের জন্য প্রস্তুত আরোগ্যকারী ও খাদ্য এর সাহায্যে সে ব্যক্তির বাড়ির ভিতরে তীব্র অপুষ্টি নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব হয়।

যাদের তীব্র অপুষ্টি আছে ও স্বাস্থ্যের অন্যান্য সমস্যার কারণে তা আরো জটিল হয়ে যায়, তাই তাদের হাসপাতালে চিকিৎসা করানোর পরামর্শ দেওয়া হলো ।

এই জন্য প্রায়ই রক্তে কম শর্করা, শরীর এর তাপমাত্রা, জলশূন্যতা নিয়ন্ত্রণ করতে হয় তা ধীরে ধীরে খাওয়া হয়।সংক্রমণ এর উচ্চ ঝুঁকি এর  কারণে সাধারণত গতানুগতিক অ্যান্টিবায়োটিক পরামর্শ দেওয়া হয়।দীর্ঘকালীন পদক্ষেপগুলোর অন্তর্ভুক্ত হল: আবার কৃষির অনুশীলনগুলো উন্নত করা । আবার দারিদ্র হ্রাস করা, নিকাশী ব্যবস্থার উন্নয়ন ও নারীদের ক্ষমতা প্রদান করা।

আরো পড়ুন: আমের উপকারিতা ও অপকারিতা 

পুষ্টি ও অপুষ্টির পার্থক্য
পুষ্টি ও অপুষ্টির পার্থক্য

পুষ্টি ও অপুষ্টির পার্থক্য

পুষ্টির অর্থ জন্য আমরা যদি একটি অভিধান সন্ধান ও করি, তবে তাই আমরা এটি খাদ্য, পুষ্টিকর খাদ্য, খাদ্য ও আমাদের শরীরকে প্রয়োজনীয় শক্তির সরবরাহকারী হিসাবে বর্ণনা করা হয়েছে। 

এই রক্ষণাবেক্ষণ এবং বৃদ্ধি জন্য আমরা প্রাণবন্ত প্রাণী যার মানে আমাদের কোষগুলি বেঁচে থাকতে এবং বৃদ্ধি করতে শক্তি প্রয়োজন। এটি সঠিক এবং সুষম পরিমাণে খাদ্য সামগ্রী সরবরাহ ও সন্তুষ্টিগত পুষ্টি তৈরি করে। 

তাই সারা বিশ্বে ডাক্তার এবং বিজ্ঞানীদের দ্বারা সুষম খাদ্য গ্রহণ এর  প্রয়োজন ও সুপারিশ করা হলে বিশ্বের অর্ধেকের বেশি জনগোষ্ঠী অপুষ্টিতেও ভোগে। তাই মাল একটি প্রিফিক্স যা খারাপ বলে বোঝায় যে, অপুষ্টি একটি শব্দ যা সঠিক পুষ্টি অভাব ও বোঝায়। 

কিছু কিছু পুষ্টির অতিরিক্ত ভোজনের হতে পারে তবে তার  মানুষের অভাব এর কিছু অপরিহার্য পুষ্টির সম্পূর্ণ অভাব বোঝাই  বা অনুপস্থিতি থাকতে পারে। তাই অপুষ্টিতে যথেষ্ট খাদ্য না পাওয়ার শর্ত না; এটি সঠিক খাদ্য নয় পাওয়ার একটি ও শর্ত। 

আবার একজন ব্যক্তি অপুষ্টিতে ভোগা যখন ন্যূনতম পরিমাণ ভিটামিন, খনিজ পদার্থ ও অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ পুষ্টি এর মতো ন্যূনতম প্রয়োজনীয় পুষ্টি পাওয়া হয় বলে মনে করেন ।পুষ্টি খাদ্য এর একটি অপ্রতুলতা যেখানে তিনি  একজন অপরিহার্য পুষ্টির অভাব ভোগও করে। 

তাই শরীরের অপরিহার্য পুষ্টিগুলি এর একটি অভাব আছে যখন আমরা একজন ব্যক্তির স্বাস্থ্য বিষয়ে কথা বলছি ও খাদ্যের অধীনে শব্দ ব্যবহারও করছি।

এই সব  খাদ্য এর  অধীনে শব্দটি একটি পরিমাণ গত দিক আছেও কারণ এটি ইঙ্গিত করে এইটা  নির্দিষ্ট স্থানে দেশের মানুষ খাবার ও পর্যাপ্ত খাদ্য পায় না। অতিরিক্ত এমন পুষ্টির ফলে ব্যক্তি এর পুষ্টিকর খাদ্য এর  অভাব এর উপর নির্ভর করে রোগ এর  কারণ হতে পারে। 

আবার কম খরচে দরিদ্র দেশে সাধারণ মানুষ হতে পারে, তাই যেখানে মানুষের জন্য খাওয়া যথেষ্ট নয় বা একটি নির্দিষ্ট পুষ্টির মধ্যে অভাবও পাওয়া যায় যেখানে নির্দিষ্ট হতেও পারে।

অপুষ্টি ও পুষ্টি শর্ত প্রায়ই একটি শর্ত পড়ুন যেখানে এ ব্যক্তি একটি সুষম খাদ্য না পাওয়া হয় lasely ব্যবহৃত হয়। যাই হোক, এই অপুষ্টি ওষুধের পাশাপাশি পুষ্টির পরিমাণ উভয়ও হতে পারে। যেমন স্থূলতা একটি শর্ত যা আবার অপুষ্টির ফলে হয়।

  • অ্যানিমিয়া, গিটলার, স্কুইভি ইত্যাদি কিছু কিছু রোগ যা অপুষ্টির ফলে হয়।
  • ক্ষুধাভিত্তিক খাদ্যের আধিকারিক এক ও পুষ্টিমানের সাথে দরিদ্র দেশে দেখা যায়।
  • অপুষ্টি ও পুষ্টির অভাব, অতিরিক্ত বা ভারসাম্যহীনতা হতেও পারে, তাই তবে অন্তর্নিহিত পুষ্টি পর্যায় শুধুমাত্র অভাব রয়েছে।

আরো পড়ুন: কাজু বাদাম খাওয়ার উপকারিতা ও অপকারিতা

অতি পুষ্টি কাকে বলে,অতি পুষ্টির লক্ষণ,অতি পুষ্টির শারীরিক লক্ষণ,অতিপুষ্টির কারণ কি,অপুষ্টি ও অতি পুষ্টি শারীরিক লক্ষণ

শিশুর অপুষ্টির লক্ষণ

প্রতিবছর অধিকতর এই সব শিশু অপুষ্টির শিকার হয়ে যাচ্ছে যা বিশ্বব্যাপী অপুষ্টি গুরুতর উদ্বেগ এর  কারণ। 

এই প্রভাবগুলি ধ্বংসাত্মক ও সুদূরপ্রসারী হতে পারে ও স্তব্ধ বৃদ্ধি, মানসিক প্রতিবন্ধকতা, জিআই ট্র্যাক্টের সংক্রমণ ও এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। 

তাই অপুষ্টি কেবলমাত্র পুষ্টির অভাবেই ঘটে না, অথবা এটির অত্যধিক গ্রহণের কারণে হয় এবং তাই সন্তান পুষ্ট বা সুস্থ হওয়ার জন্য সুষম খাদ্য অত্যন্ত ও গুরুত্বপূর্ণ।

ওজন কম

নাম অনুসারে  এটি একটা  এমন একটি অবস্থা যেখানে বয়সের সাথে সামঞ্জস্য রেখে কোন শিশু ওজন / উচ্চতায় বৃদ্ধি পায় না আবার  ক্ষয়, বৃদ্ধি রোধ বা উভয় কারণে ওজন কম থাকে। অপুষ্টির এ রূপটি বৃদ্ধির ব্যর্থতার অপুষ্টি হিসাবে পরিচিত। যদি বাচ্চা এর পুষ্টির চাহিদা উন্নত করা যায় তবে ওজনের স্বল্পতা সংশোধন করা যায় যে, তাই তবে উচ্চতার ঘাটতি সংশোধনও করা কঠিন।

বৃদ্ধি রোধ ও স্টান্টিং

দীর্ঘস্থায়ী অপুষ্টি হিসাবে পরিচিত, গর্ভাবস্থায় মায়ের ও দুর্বল স্বাস্থ্যের কারণে সন্তানের স্টান্টিংয়ের অবস্থা জন্ম এর  আগে থেকে শুরু হয়, তাই যার ফলে শিশুর অস্বাভাবিক এবং অসম্পূর্ণ বৃদ্ধি ঘটে।

এ দীর্ঘ সময় ধরে স্টান্টিং ঘটে এবং তাই এর দীর্ঘস্থায়ী ও পরিণতি হয়। শিশুর স্টান্টিংয় এর মূল কারণগুলি হল দুর্বল বুক এর দুধ খাওয়ানো, শরীরে পুষ্টির অপর্যাপ্ত সরবরাহ ও অবিরত সংক্রমণ। স্টান্টিং বিপজ্জনক, এটি একটি নির্দিষ্ট বয়সের পরে অপরিবর্তনীয় ও হয়ে যায়। গর্ভাবস্থায় সঠিক স্বাস্থ্য এবং জন্মের পরে সন্তান এর ব্যাপক যত্ন নিশ্চিত করা গর্ভবতী মহিলাদের পক্ষে ও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এর ঘাটতি বা অপুষ্টি শরীরের ভিটামিন এ, বি, সি এবং ডি-এর মতো প্রয়োজনীয় এই সব ভিটামিনের অভাবের পাশাপাশি ফোলেট, ক্যালসিয়াম, আয়োডিন, দস্তা ও সেলেনিয়ামের ঘাটতি  বোঝায়। মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট এর  ঘাটতি শরীরে এই পুষ্টিগুলির দীর্ঘায়িত অভাবের কারণ ও ঘটে।

এর প্রতিটি পুষ্টিগুণ শরীরের গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গগুলির বিকাশ এবং  কার্যকারিতায় সহায়তা করে ও এর অভাব হ্রাসজনিত রক্তাল্পতা,, থাইরয়েডের কার্যকারিতা হ্রাস, রিকেট, দুর্বল প্রতিরোধ ক্ষমতা, স্নায়ুর অবক্ষয় ও দুর্বল দৃষ্টিশক্তির মতো কম বৃদ্ধি এবং রোগের কারণ হতে পারে আবার হাড়ের দুর্বল বিকাশ ঘটতে পারে।

এ অতিপুষ্টির যে কিছু প্রকারভেদ রয়েছে  টা সম্পর্কে হয়তোবা অধিকাংশ লোক আমরা অবগত ছিলাম না অথবা জানতাম না।

আর আশা করি আমরা অবশ্য আপনাকে এ প্রকারভেদ ও ক্ষতিকর দিক এবং লক্ষণ সম্পর্কে অবগত হওয়ার পরিপূর্ণ তথ্য দিতে ও পেরেছি

অতি পুষ্টি হলো শারীরিক একটা সমস্যা ও অবশ্যই আমাদেরকে এ সমস্যা থেকে বেঁচে থাকার জন্য কিছু  কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করতে হবে। অবশ্য একটি মনে রাখবেন অতি পুষ্টি থেকে মুক্তি পাওয়ার উপায় কেবলমাত্র আপনার হাতে ও আপনার কর্মকাণ্ড এর দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হবে।

আশা করি অতি পুষ্টি এর সম্পর্কে আপনাদের পরিপূর্ণ জ্ঞান প্রদান করতে পেরেছি ও কিছু ধারনা প্রদান করেছি। আপনার যদি আরো অন্য কোন প্রকার সমস্যা থেকে থাকে অথবা এ পোস্টটি সম্পর্কে আরো কিছু জানতে চান তাহলে কমেন্ট করতে পারেন এবং ধন্যবাদ অতি পুষ্টি সম্পর্কে জানার জন্য।

অনুপুষ্টি উপাদান কি?

অপুষ্টি ও পুষ্টির অভাব হল একটি অবস্থা,এমন একটা খাদ্যাভ্যাস অনুযায়ী খাওয়ার ফলস্বরূপ ঘটে থাকে ।

যেখানে পুষ্টিকর উপাদানগুলো যথেষ্ট নয় অথবা অনেকবেশি যে তার কারণে স্বাস্থ্যের এমন সমস্যা ঘটে। 

তাই সংশ্লিষ্ট পুষ্টিকর উপাদানগুলোর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত হতেও পারে: ক্যালরি, প্রোটিন, কার্বোহাইড্রেট, ভিটামিন ও খনিজ পদার্থ।

অতিপুষ্টির কারণে কি কি রোগ হয়?

রক্তস্বল্পতা, মুখের কোনায় ঘা,  রক্ত আমাশয়, টাইফয়েড, নিউমোনিয়া, বিভিন্ন ধরনের চর্মরোগ, চোখের অসুস্থতা,পেটে কৃমি, দুর্বলতা, শারীরিক গঠন সুষ্ঠু না হওয়া ইত্যাদি ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে।অপুষ্টির কারণে কিশোর-কিশোরীর বিকাশও সঠিকভাবে হয় না।

শিশুর অপুষ্টির লক্ষণ কি কি?

শিশুদের মধ্যে অপুষ্টির লক্ষণ এবং উপসর্গ:

ক্লান্তি এবং অবসাদ

খিটখিট স্বভাব

মনোযোগহীন

শুষ্ক এবং খসখসে ত্বক

মাড়ি থেকে রক্তপাত

ক্ষুধামান্দ্য ও 

কম শারীরিক বৃদ্ধি এবং একদমই বৃদ্ধি থেমে যাওয়া এবং ফুলে যাওয়া পেট

অপুষ্টি ভ্রূণের উপর প্রভাব ফেলে ?

শিশু অপুষ্টি এর শিকার হচ্ছে তার গর্ভকালীন সময় থেকেই। এই দুর্বল, কমবয়সি, রক্তাল্পতায় আক্রান্ত ৪০ কেজির অল্প ওজনের মায়েরা গর্ভাবস্থায় আরও অনেক  অপুষ্টির শিকার হন। ফলে, টা গর্ভস্থ সন্তানের বৃদ্ধি ব্যাহত হয় থাকে এবং শিশু কম ওজন নিয়ে জন্মায়।

Related Articles

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button